২৮ ঘণ্টা পর ধরা পড়ল কোরবানির সময় পালিয়ে যাওয়া সেই মহিষ (ভিডিও)

কোরবানি দেওয়ার সময় শিংয়ের গুঁতোয় ১১ জনকে আ'হত করা সেই মহিষটি অবশেষে ধরা পড়েছে। পালিয়ে যাওয়ায় ২৮ ঘণ্টা পর তাকে নিবৃত্ত করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দি‌কে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের নিকলা বিলে প্রায় ৭০ মিটার দূর থেকে চেতনানাশক ওষুধ নিক্ষেপ করে মহিষটিকে উদ্ধার ধরা হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে ভূঞাপুর উপজে’লা প্রশাসন থেকে ম‌’হিষ‌’টি উদ্ধা‌রে ঢাকার এক পশু কর্মকর্তার সহযোগিতা চাওয়া হয়। পরে মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানার পশু কর্মকর্তা মহিষটি উদ্ধারে ভূঞাপুর আসেন।

ভুঞাপুর থানার এসআই শামছুল ইসলাম বলেন, মহিষটিকে উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে আসেন। তারা নৌকাযোগে নিকলা বিলে অবস্থানরত মহিষটিকে ৭০ মিটার দূর থেকে ইনজেকশন নিক্ষেপ করেন। এরপর ধীরে ধীরে মহিষটি দুর্বল হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। পরে ভূঞাপুর উপজেলা প্রশাসন, ভুঞাপুর থানা পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সেটিকে উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জানা গেছে, গতকাল বেলা ১০ টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার যুগিহাটি গ্রামে আরিফুল সরকারের বাড়িতে কোরবানি দেওয়ার সময় হঠাৎ লাফিয়ে ওঠে মহিষটি। এ সময় মহিষটির গুঁতোয় ১১ জন আ'হত হন। পরে সেটি পালিয়ে যায়।

মহিষটি দৌড়ে পুরো গ্রাম ঘুরে ভূঞাপুর উপজেলার কাগমারি পাড়ায় চলে যায়। একটি জমিতে নেমে পড়ে মহিষটি। পরে সেটিকে উদ্ধার করতে আসে পুলিশ। গু'লি করেও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মহিষটিকে গু'লি করলেও তা সেটির গায়ে লাগেনি।

এদিকে মহিষটিকে দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় করেন। সোমবার সারা দিন-রাত চেষ্টা করেও মহিষটিকে উদ্ধার করা যায়নি।

পরে মহিষটিকে উদ্ধার করতে ভূঞাপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঢাকার এক পশু কর্মকর্তার সহযোগিতা চাওয়া হয়। আজ ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানার পশু কর্মকর্তা নাজমুল হক মহিষটি উদ্ধারে ভূঞাপুরে যান। দুপুরে চেতনানাশক ওষুধ নিক্ষেপের মাধ্যমে মহিষটিকে উদ্ধার করা হয়।

ভিডিও দে খু'ন এখানে-