পটুয়াখালীতে যৌ'’তুকের দাবীতে শশুর ও স্বামীর অমা'নুষিক নি’র্যাতনে গু'ুুুরুতর অসুুস্থ গৃহবধূ!

পটুয়াখালীতে যৌ'’তুকের দাবীতে শশুর ও স্বামীর মর'্মান্তিক নি’র্যাতনের শি’কার হয়েছে আছমা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধু। শনিবার দুপুরে সদর উপজে’লার মা'দারবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানায়, ১০ বছর আগে মা'দারবুনিয়া ইউনিয়নের বোতলবুনিয়া গ্রামের সৌদী প্রবাসী আমছার গাজীর মেয়ে আছমা বেগমের বিয়ে হয় মা'দারবুনিয়া গ্রামের জব্বার কাজীর ছেলে রফিক এর সাথে। বিয়ের ১০ বছরে ১টি মেয়ে ও একটি ছেলের মা হয়েও সুখের ছোয়া লাগেনি আছমা বেগমের কপালে।

বাবা আমছার গাজী মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে বিয়েতে হাতে স্বর্ণের বালা,চেইন,কানের দুল, ক্রোকারিজ ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মালামাল দেয় মেয়ে-জামাইকে। কিন্তু বিয়ের পর থেকে যৌ'’তুকের দাবিতে স্বামীর অ’ত্যাচার নি’র্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে আছমা'র স্বাভাবিক জীবন। মাঝে মধ্যে মা’রধরসহ খেতে না দেয়ার মত অমানবিক জীবন কা’টাতে 'হতো আছমাকে।

দিনের পর দিন অনেকটা নিরবেই অ’ত্যাচার নি’র্যাতন সয়ে যায়। অবশেষে রফিক বায়না ধরে তাকে ব্যবসা করার জন্য আছমা'র বাবার বাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। এতে অস্বীকার করলে নি’র্যাতনের খরগ নেমে আসে আছমা'র ওপর। এমনকি শরীরের গো'পন অ''ঙ্গে কৌশল করে পে’টানো হয়েছে যাতে কাউকে দেখাতে না পারে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানগু'লোতে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে জ’খম করে ঘরের মধ্যে আ’টকে রাখে। বাবার সংসার থেকে টাকা আনতে ব্যর্থ হলে আছমা বেগমের ওপর চলে নি’র্যাতনের ষ্টিমর'োলার।

ঘরে ১টি মেয়ে ও একটি ছেলে আসায় স্বামী সংসারে অব্য'হত নি’র্যাতন বছরের পর বছর মুখ বুজে সহ্যকরে যান আছমা। এনিয়ে একাধিকবার স্থানীয় বিচার শালিস মেনেও সুরাহা পায়নি আছমা বেগম। ৫ লাখ টাকা যৌ'’তুক দাবী করে নিজের বাড়ির উঠানে ফে’লে আছমাকে গাছের সাথে হাত-পা বেধে বেধরক লাঠি দিয়ে দফায় দফায় পি’টিয়ে র’ক্তাক্ত জ’খম করে যৌ'’তুক লোভী শশুর জব্বার কাজী ও স্বামী রফিক।

লাঠি পে’টায় অজ্ঞান হয়ে যায় আছমা। এরপর বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে আছমাকে অজ্ঞান অবস্থায় উ’'দ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।